“১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর ২২ দিন ইলিশ ধরা, বিক্রি, মজুত ও পরিবহন নিষিদ্ধ”

প্রকাশিত: ৬:৪৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০২০

                             মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর ২২ দিন ইলিশ ধরা, বিক্রি, মজুত ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপের কারণে চলতি বছর দেশে ইলিশের বেশ ভালো উৎপাদন হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আবারও ইলিশ ধরা, বিক্রি, মজুত ও পরিবহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন তা কার্যকর থাকবে। এই সময়টা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম।

আজ সোমবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। ‘মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২০’ উপলক্ষে এটির আয়োজন করা হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ইলিশের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজনন সময় আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা থেকে শুরু হয়। তাই সেটিকে ভিত্তি ধরে মা-ইলিশ রক্ষায় মৎস্য সংরক্ষণ আইন সংশোধন করে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধের সময়সীমা ২২ দিন করা হয়েছে।

এই সময়ে কোনোভাবেই দেশের জলসীমায় ইলিশ আহরণের অবৈধ প্রচেষ্টা সফল হতে দেয়া হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্রে কোনোভাবেই মা-ইলিশ আহরণ করা যাবে না। এমনকি যে সব নদীতে ইলিশ আছে, সেখানে অন্য মাছও ধরতে দেয়া হবে না। আর তা বাস্তবায়নে কাজ করবে নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ড। পাশাপাশি অত্যাধুনিক উপায়ে মনিটর করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, ইলিশের প্রাচুর্য, স্বাদ ও সহজলভ্যতায় বাংলাদেশকে ফিরিয়ে আনা হবে। এ বছর বিশ্বে উৎপাদিত মোট ইলিশের ৮০ শতাংশই বাংলাদেশের । আকার ও স্বাদ অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক ভালো এবং সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছে যাচ্ছে।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থা, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড, মাঠ প্রশাসনের সম্মিলিত চেষ্টার ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে।