শিক্ষক ফোরামের একদফা জাতীয়করণ দাবি ও তথাকথিত শিক্ষক নেতাদের ভাবনা

প্রকাশিত: ৮:৪৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৫, ২০২০
দেশ স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে বেসরকারি শিক্ষকরা সর্বপ্রথম বেতন স্কেলের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। অধ্যক্ষ কামরুজআমান ও জয়নাল আবেদিন চৌধুরীর নেতৃত্বে দেশের স্কুল ও কলেজ শিক্ষক কর্মচারীরা এ আন্দোলন করে। এতে প্রায় ৩ মাস ধর্মঘট চলছিল।
এক পর্যায়ে একটি গ্রুপ অধ্যক্ষ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে সরকারের পক্ষ অবলম্বন করায় আন্দোলনটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পড়ে। তবুও জয়নাল আবদীন গ্রুপটি আন্দোলন চালিয়ে যায়। আ.ফ.ম খলিলুর রহমান ও প্রফেসর শরীফুর ইসলামের নেতৃত্বে কলেজ শিক্ষকরাও ঐ সময় ৪ মাস ধর্মঘট করে।
ঠিক  ২০১৮ বাবেশিকফো কর্তৃক লিয়াজো ফোরাম প্রেসক্লাবে সামনে খোলা আকাশের নিচে ১৯ দিন অবস্থানসহ আমরণ অনশন করে কিন্তু একজন শিক্ষক নেতা এসি গাড়ী দিয়ে, রাস্তায় শুয়ে থাকা শিক্ষকদের ধুলো বালি দিয়ে প্রেসক্লাবে প্রবেশ করত এবং বিভিন্ন মিটিং করত। আর দাবি আদায়ের জন্য রাস্তায় শুয়ে থাকা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আলোচনা করত সরকার মহলে। তবুও এইসব চক্রান্ত কে উপেক্ষা ৫% ইনক্রিমেন্ট আর বৈশাখী ভাতা আদায় করেছিল বাবেশিকফো শিক্ষকদের সাথে নিয়ে। অথচ আজকে উনি ক্রেডিট নেওয়ার জন্য সব অবদান তার বলে। কিন্তু অসহায় অবহেলিত, বঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ সব জানে। আর ৫% ইনক্রিমেন্ট, বৈশাখী ভাতা আদায়ের কিছু দিন পর প্রায় ৫ লক্ষ ৩০ হাজার শিক্ষক কর্মচারীদের মতামতকে উপেক্ষা করে বিনা সুবিধা অতিরিক্ত ৪% কর্তন করে স্বার্থবাদী শিক্ষক নেতা। আর এইসব শিক্ষক নেতাদের কারণে বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ বঞ্চিত হচ্ছে, অপমানিত হচ্ছে বেসরকারী শিক্ষক সমাজ । তাই সময় এসেছে এদের বিরুদ্ধে কথা বলার, সকল ষড়যন্ত্র রুখে দাড়ানোর, জাতীয়করণের অধিকার আদায় করার। আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধে হয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ন্যায়ের পক্ষে জাতীয়করণের জন্য।
মো : তোফায়েল সরকার
যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক
বাংলাদেশ বেসকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম।