বেসরকারি শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট নিয়ে কিছু কথা।

প্রকাশিত: ৪:২৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২২, ২০২০

মোঃ আসাদুজ্জামান (আসাদ)- সহকারী শিক্ষক।

বেসরকারি শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট নিয়ে কিছু কথা।

দেশের মোট ৯৭ ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেসরকারি। এ সব এমপিওভূক্ত বেসরকারি  প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে পাচ লাখ শিক্ষক চাকুরী  করে আসছে। এসব এমপিও ভূক্ত  শিক্ষককে বঞ্চিত রেখে শিক্ষার উন্নয়ন সম্ভব নয়। ১০০০ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া এবং ৫০০ টাকার চিকিৎসা ভাতা। যা দ্বারা দেশের কোথাও বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা করা সম্ভব না।

বেসরকারি শিক্ষকগণ পদে পদে বঞ্চিত। মোট বেতনের ১০ ভাগ অবসর ও কল্যান বাবদ কেটে রাখা হয়। ৫% ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার পর আমরা আশার আলো দেখছিলাম। তাও এখন আশার গুড়েবালি। কারণ বিএড স্কেল ও উচ্চতর স্কেল প্রাপ্ত হলে পূর্বে ইনক্রিমেন্ট কেটে রাখা হয়, যা পূর্বে কয়েক বছর ছিল না। আমি নিজেও এর ভূক্তভূগী জানুয়ারি ২০,এমপিওতে বিএড স্কেলের ইনক্রিমেন্ট আসলেও হঠাৎ মার্চের২০, এমপিও তে ইনক্রিমেন্ট নাই। এখন দেখি উচ্চতর স্কেলের ক্ষেত্রে একই অবস্হা।
যদি বিএড স্কেল ও উচ্চত্তর গ্রেড নিতে গিয়ে ইনক্রিমেন্ট বাদ যায তবে বেসরকারি শিক্ষকদের বিএড ও উচ্চত্তর স্কেল নিয়ে কোন লাভ নেই। কারণ ধরুন একজন শিক্ষক চাকরি ৫বছর পর ইনক্রিমেন্ট দিয়ে যা হবে, বিএড করলে তাই হবে আথাৎ ১৫৯০০টাকা উত্তলন করতে পারবে। আবার দশ বছর পর উচ্চত্তর স্কেল পেয়ে হবে ২২০০০ হাজার পূর্বের ইনক্রিমেন্ট সব বাদ তাহলে লাভ কি। তাই দেখা যায় একজন শিক্ষক যদি কোন স্কেল না ধরে তবুও  ১৫ বছর পর ৯ম গ্রেডের বেতন ইনক্রিমেন্ট দিয়ে আতিক্রম করবে। তাহলে বিএড স্কেল ও উচ্চত্তর গ্রেড নিয়ে কি লাভ হল।
অতএব বেসরকারি শিক্ষকদের বিএড স্কেল ও উচ্চতর গ্রেড দিয়ে প্রাপ্ত ইনক্রিমেন্ট না কাটতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।