প্রসঙ্গ শিক্ষা আইন ২০২০ ও শিক্ষক,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ

প্রকাশিত: ৯:৫৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১

বাংলাদেশ এখন দুটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে উপনীত হয়েছে একটি মুজিব জন্মশতবর্ষ অপরটি স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি। পৌনে ২০০ বছর ঔপনিবেশিক শাসন ও প্রায় ২৫ বছর পাকিস্তানের শোষণ বঞ্চনা থেকে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে লাখো শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে জন্ম নিয়েছে একটি স্বাধীন বাংলাদেশে ।স্বাধীনতার ২৫ বছর বৈষম্যের শৃঙ্খলা বদ্ধতা থেকে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে ৫০ বছরে পদার্পণ করেছে এমডিজি বাস্তবায়নে সাফল্য লাভের পর এসডিজি বাস্তবায়নের দিকে হাঁটছে কিন্তু দুঃখের বিষয় শিক্ষা ক্ষেত্রে অগ্রগতি খুবই হতাশাজনক কারণ ৪৯ বছরেও শিক্ষা ক্ষেত্রে নানা বৈষম্য রয়েছে। এখানে শিক্ষা নামক মৌলিক অধিকার এখনো শিক্ষার্থীদের পূরণ করা সম্ভব হয়নি এখানে জাতি বিনির্মাণে আধুনিক বিজ্ঞানমনস্ক জাতি তৈরি করতে শিক্ষকদের যেভাবে মূল্যায়ন করার কথা সে ক্ষেত্রে শিক্ষকরা পেশাগত দিকে অনেক বঞ্চনা বৈষম্য রয়েছে। ৪৯ বছর পরে হলেও শিক্ষকদের একটি খুশির খবর হলো সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে। যেখানে এতদিন প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকার অনেক খাতে টাকা পরিশোধ করলেও মূলত সরকারের তেমন কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। সেই জায়গা থেকে সরকারের অবস্থান পরিবর্তন কে সাধুবাদ জানাই। সরকার এখন চিন্তা করেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে সেই ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন সংশোধন করার উদ্যোগ নিয়েছে। এক্ষেত্রে আসার কথা এতদিন যে কমিটির নিকট প্রতিষ্ঠানগুলির দায়বদ্ধতা ছিল সেখান থেকে সরকারি ইউটার্ন করা থেকে শিক্ষকরা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারবে। শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি শতভাগ বেতন-ভাতা সরকারের কোষাগার থেকে দেওয়া হলেও কমিটির নিকট শিক্ষকদের নানাভাবে হয়রানি অপদস্ত করার অভিযোগ করে আসছে ।সে ক্ষেত্রে শিক্ষকদের প্রাণের দাবি সরকার যেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তিত্ব নিজের হাতে নেন এবং সরকারি-বেসরকারি বৈষম্য যেন কমিয়ে আনে একটি যৌক্তিক অবস্থানে।
বেসরকারি শিক্ষকদের প্রাণের দাবি যেনতেনভাবে যেন এই আইন সংশোধন করা না হয় শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়ন জীবনের নিরাপত্তা আর্থিক নিরাপত্তা চাকরির নিরাপত্তা সকল কিছু যেন এখানে বিদ্যমান থাকে। কমিটির নিকট যেন কোনো অবস্থাতেই শিক্ষকদের আর হয়নি হতে না হয় এ বিষয়ে একটি সুন্দর ও যৌক্তিক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।