জাতীয়করণ আন্দোলনের অগ্রনায়ক কবি “মোস্তাফিজুর রহমান” স্যারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত: ৩:১২ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৪, ২০২০

 নূরুল ইসলাম, বগুড়া : আজ ২৪ জুলাই। মোস্তাফিজুর রহমান স্যারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী।২০১৯ সালের আজকের এই দিনে খুরধার কবি মোস্তাফিজুর রহমান লিভার সিরোসিস রোগে অসুস্থ হয়ে চিকিৎধীন অবস্থায় পিজি হাসপাতালে মৃত্যবরণ করেন। কবি মোস্তাফিজুর রহমান স্যার বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আন্দোলনের একজন একনিষ্ঠ এবং পরীক্ষিত সৈনিক । সদা বিনয়ী কবি মোস্তাফিজুর রহমান স্যারের জন্ম নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলায় একদুয়ারিয়া গ্রামে। তিনি নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলা বন্দর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক ছিলেন । তিনি অবহেলিত বেসরকারী শিক্ষক কর্মচারীদের মুক্তির জন্য সর্বদা কবিতার মাধ্যমে উজ্জীবিত করেছেন ।উজ্জীবিত করেছেন ফোরামের পতাকা ।বেগবান করেছেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ফোরামের তারুণ্যভরা নেতৃত্বকে। কুক্ষিগত নেতৃত্ব আর আমলাতন্ত্রের কলমের শক্তির বিরুদ্ধে স্যারের লিখুনী বেশিক পরিবার কাছে যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। লক্ষ লক্ষ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের বলিষ্ঠ কণ্ঠ, প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর কবি ।তিনি ২০১৮ সালে প্রেসক্লাব চত্বরে প্রচণ্ড শীতকে উপেক্ষা করে ১৯ দিন রাস্তায় রাত্রি যাপন করে বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরাম আন্দোলনে যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দিয়েছেন তা সত্যিই ভাষায় বর্ণনা করা কঠিন। স্যারকে আর দেখা যাবে না, জাতীয়করণ আন্দোলন প্লাটফর্মে। স্যারের কন্ঠ ,স্যারের লিখুনী আজ স্তব্ধ । ৪ শতাংশ কর্তনের প্রতিবাদে ২০১৭ সালে ১৪ জুলাই ফোরাম সৃষ্টি পর থেকে স্যারের প্রতিবাদী কবিতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হতে থাকে। স্যারের প্রথম কবিতা “জাগো আলোর দিশারী ” যা প্রকাশিত হয় ১লা আগস্ট। মুস্তাফিজুর স্যারের উল্লেখযোগ্য কবিতার মধ্যে বেসরকারী শিক্ষকদের জীবন,বাঁচার্ দাবী, দুঃখে জীবন ভরপুর, বেঁচে থাকার আশা, সবরে মুক্তো ঝরে, মৌলিক অধিকার, এক হাজারে যায় কি পাওয়া লতা-পাতার কুড়েঘর,ঐক্যর ডাক, বেসরকারি শিক্ষক সে তো.., জাতীয়করণ করতে হবে উল্লেখ্যযোগ্য। ফুলের জলসায় নীরব কবি ,মৃত্যু তোমায় পারেনি গ্রাসিতে, ওহে মৃত্যুঞ্জয় ।মৃত্যু হতেও চিরন্তন তুমি, তুমি অমর তুমি অক্ষয় । ভেবোনা বন্ধু!হবে না দেখা -দেখা হবে নিশ্চয় তাই তো তোমার তরে প্রাণের এ আকুতি। হয়তো তোমার দেখা ঐ নত আকাশে চুমছে গিয়ে দিগন্তের ঐ অস্ত রেখা। ভালো থাকুন ক্ষণজন্মা ফোরাম বন্ধু।